শিরোনাম

  বাংলাদেশ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীত হওয়ায় শার্শা- বেনাপোল থানা পুলিশ কেক কেটে আনন্দ উদযাপন   সারাদেশের ন্যায় শার্শা উপজেলা ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ বিভিন্ন কর্মসূচী পালিত   বেনাপোলে ৫কেজি ভারতীয় গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক   কোতয়ালী ও কেরাণীগঞ্জে র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ৭ জন গ্রেফতার : গাঁজা ও চোলাই মদ উদ্বার   বেনাপোলে ভারতীয় গাঁজা সহ যুবক আটক   রাজধানীতে ৯০০ লিটার চোলাই মদসহ আটক ৪   রাজধানীতে বিপুল পরিমান দেশি-বিদেশী মদ বিয়ারসহ এক মাদককারবারি গ্রেফতার   শাহজালাল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে ফগার মেশিন হস্তান্তর করলো ডিএনসিসি   সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজাক্কির  হত্যা ও নির্যাতনের  প্রতিবাদে উত্তরায় মানববন্ধন   দেশব্যাপী সাংবাদিক নির্যাতন, হয়রানী ও হত্যার প্রতিবাদে উত্তরায় মানববন্ধন

আজ সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন


‘ধর্ষিতা’ শব্দের পরিবর্তে ‘ধর্ষণের শিকার’ যোগ করে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিল-২০২০’ সংসদে পাস হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

বিলের উদ্দেশ্য সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সামাজিক উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অগ্রসরমান ধারা আজ বিশ্বব্যাপী নন্দিত ও প্রশংসিত। বিদ্যমান আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের ঊর্ধ্বগামী পরিক্রমণের মধ্যে দেশে নারী ও শিশু ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ সংঘটন, সামাজিক গতিশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব রাখাসহ সার্বিক সামাজিক উন্নয়নের ধারাকে বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এ ধরনের হীন অপরাধ দমনে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে দণ্ডারোপের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ শাস্তি বিধানের ব্যবস্থা নেওয়া-সময় ও পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনায় অত্যাবশ‌্যক।’

নতুন সংশোধিত আইন অনুযায়ী ৯(১) উপধারায় ‘যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড’ শব্দগুলোর পরিবর্তে ‘মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড’ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

আইনের ৯(৪) (ক) উপধারায় ছিল, ‘যদি কোনো ব্যক্তি কোনো নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তা হলে ওই ব্যক্তি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন।’ এই উপধারা সংশোধন করে পাস হওয়া বিলে ‘যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড’র পরিবর্তে ‘মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড’ শব্দগুলো যোগ করা হয়েছে।

বিলটি উত্থাপনের পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এক সপ্তাহের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। তার আগে গত ২৫ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধিত) আইন, ২০২০ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। এরও আগে ১২ অক্টোবর মন্ত্রিসভায় এটি অনুমোদন দেওয়া হয়। আর ১৩ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২০’ জারি করেন।

আরও পড়ুন