শিরোনাম

  নবগঠিত ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে বেনাপোলে সংবাদ সম্মেলন   ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধূলায় মনেযোগ দিতে হবে …যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী   টঙ্গীতে ৮শ’ পিচ ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার   বেনাপোল কাস্টমের হয়রানির প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন   টঙ্গীতে মোবাইলে ফেসবুক চালাতে না দেওয়ায় স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা   বেনাপোলে পুলিশের অভিযান ভারতীয় মাদক সহ আটক-৭   ভারত বাংলাদেশ মৈত্রী সাইকেল র‌্যালী দলকে বেনাপোলে সংবর্ধনা   বেনাপোলস্থ চট্রগ্রাম বিভাগীয় সমিতি’র উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধা ও এতিম শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ   শার্শায় বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত   উত্তরখানে বিট পুলিশিং কার্যালয় উদ্বোধন

আজ বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১, ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন


নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি : ৫ বছরের শিশু সোয়াইব হোসেন হত্যা মামলার দীর্ঘ ৭ বছর পর ৩ আসামীকে ফাঁসি ও ১জনকে কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। ৩০ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ শেখ রাজিয়া সুলতানা এ আদেশ দেন। ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন- জসিম উদ্দিন, রাজু মিয়া ও ফজল হক। এবং ১০ বছরের কারাদন্ডপ্রাপ্ত আসামী নাছির উদ্দিন। বাকি রিনা, মোশরফ হোসেন, আঃ রহিম, আঃ সালাম কে খালাশের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

৯ ও ২৫ নভেম্বর  রায়ের দিন ধার্য করা হলেও  তারিখ পিছিয়ে ৩০ নভেম্বর শিশু সোয়াইব হত্যার রায় ঘোষণা করা হয়। রায় ঘোষণার পর আসামিদের আদালত থেকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারী সোনারগাঁ উপজেলার মঙ্গলেরগাঁও এলাকার স্থানীয় শান্তিনগর দারুন নাজাত নূরানী মাদ্রাসার প্রথম শ্রেনীর ছাত্র সোয়াইব হোসেন নিখোঁজ হন। এ ঘটনার ৬ দিন পর একটি নির্মাণাধীন ভবনের পাশ থেকে গলাকাটা লাশ, ঝলসে দেওয়া সোয়াইব হোসেনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় সোয়াইবের বাবা মাসুম মিয়া তার ছেলেকে অপহরণের পর হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মোশরফ হোসেন, রাজু মিয়া, ফজল হক, জসিম উদ্দিন, শিরসতালী, নাছির উদ্দিন, আলী আহাম্মদ ও রিনা বেগমসহ ১৩ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। তখন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ মোশারফ হোসেন, রাজু মিয়া, নাছির উদ্দিন, ফজল মিয়া, সিরাসতালী ও আলী আহাম্মদসহ আরো কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে ছিল।

ওই সময় আসামীরা নারায়ণগঞ্জে জৈষ্ঠ বিচারিক হাকিম চাদনী রুপমের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী দেয়। জবানবন্দীতে আসামীরা জানায়, নারী ঘটিত একটি কারণে শিশু সোয়াইব হোসেনকে অপহরণের পর শিশুটিকে প্রথমে গলা কেটে জবাই করে হত্যা করে পরে তার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ কাটা হয় এবং এসিড দিয়ে পুরো শরীর ঝলছে দেয়া হয়। দীর্ঘ ৭ বছর পর ৫ বছরের শিশু সোয়াইব হোসেনকে নির্মম হত্যার বিচারের রায়ে বাদী মাসুম অসন্তুষ্ট প্রকাশ করে বলেন  এ মামলার রায়ে আদালত যাদের খালাস দিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে বাদীপক্ষ আপিল করবেন এবং যাদের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন তাদের রায় বহাল রাখতে চেষ্টা করবেন।

মামলার বাদী নামজুল হোসেন মাসুম বলেন, যারা সাজা পেয়েছে আর যারা খালাস পেয়েছে তারা সবাই আমার সন্তানকে নির্মমভাবে খুন করেছে

আরও পড়ুন